পোর্তো আলেগ্রে— আন্তর্জাতিক সংগ্রামের প্রতীক এক শহর।ঐতিহাসিকভাবে গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও আকাঙ্ক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ধারক। এই শহরে পাঁচটি মহাদেশের চল্লিশেরও বেশি দেশের হাজার হাজার কর্মী মিলিত হয়েছি–উদ্যাপন করছি আমাদের বিবিধ বিচিত্রতার মধ্যে উপস্থিত একান্ত ঐক্য।নানা রূপে বিশ্বজুড়ে আবির্ভুত ফ্যাসিবাদ, অতি-দক্ষিণ পন্থা ও তাদের চূড়ান্ত আগ্রাসী মাত্রায় পর্যবসিত সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছি।
এই একই সপ্তাহে কিউবার উদ্দেশ্যে ‘নুয়েস্ত্রা আমেরিকা’ কনভয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ; আর্জেন্টিনায় “স্মৃতি”র পক্ষে এবং মিলে-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ রাস্তায় নেমেছেন; যুক্তরাজ্যে কয়েক লক্ষ মানুষ ফ্যাসিবাদবিরোধী সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন এবং বিশেষভাবে উল্লেখের দাবী রাখে যুক্তরাষ্ট্রে বৃহৎ ও ঐতিহাসিক ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ– শত শত শহরে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান একত্রিত হয়ে আবারও ট্রাম্পকে মানবতার শত্রু বলে ঘোষণা করলেন।
পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থা এক গভীর সংকট এবং তীব্র অর্থনৈতিক, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই অবক্ষয়ের প্রতিক্রিয়ায় সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলি সর্বত্র ফ্যাসিবাদের প্রসার ঘটাচ্ছে, নব্যউদারবাদী নীতি চাপিয়ে দিচ্ছে এবং দুর্বল দেশগুলির বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে তাদের পুনরায় উপনিবেশে পরিণত করছে।
প্রতিটি দেশে ফ্যাসিবাদী ও নব্যউদারবাদী হুমকি নানাবিধ নির্দিষ্ট রূপ নিলেও তার কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার অবসান,শ্রমিক অধিকারের বিনাশ,কাঠামোগতভাবে বেকারত্বের বিস্ফোরণ, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় ক্রমবর্ধমান ফাটল,ট্রেড ইউনিয়ন ও গণসংগঠনের দমন,সরকারি পরিষেবার বেসরকারিকরণ,সমস্ত সামাজিক বিনিয়োগকে বিলুপ্ত করতে ‘ব্যয়সংকোচ’নীতি, বৈজ্ঞানিক ও জলবায়ু-সংকট অস্বীকারবাদ, কৃষকদের জমি কেড়ে নিয়ে কৃষি-ব্যবসায়ীদেরকে হস্তান্তর,লাগামছাড়া সম্পদ আহরণে উৎসাহ দিয়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে বলপূর্বক উচ্ছেদ,অতি-কঠোর অভিবাসন নীতি; এবং সামরিক ব্যয়ের বিপুল বৃদ্ধি।
অতি-দক্ষিণপন্থী ও নব্য-ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলি সর্বস্তরে বিস্তৃত আক্রমণ চালাচ্ছে, নব্যউদারবাদের ধ্বংসাত্মক পরিণতি থেকে উদ্ভূত জন-অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে এই নীতিগুলিকে আরও দ্রুত প্রয়োগে নিয়ে যেতে চাইছে।এই কারণে, ধ্রুপদী ফ্যাসিবাদের মতোই, তারা এই অসন্তোষকে নিপীড়িত ও বঞ্চিত গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুরিয়ে দিতে চায়।অভিবাসী, নারী, LGBTQ+ মানুষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচির আওতায় থাকা জাতিগতভাবে প্রান্তিক মানুষ, এবং জাতীয় বা ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা এদের লক্ষ্য। উগ্র জাতীয়তাবাদ, বর্ণবাদ, জেনোফোবিয়া, লিঙ্গবৈষম্য, LGBTQI+ বিরোধী ঘৃণা, ঘৃণায় প্ররোচনা এবং নিষ্ঠুরতার স্বাভাবিকীকরণ—প্রতিটি দেশের নিজস্ব ও বিশেষ পরিস্থিতি অনুযায়ী—প্রতিটি স্তরে অতি-দক্ষিণপন্থার বাড়বৃদ্ধির সাথে আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকছে।
সম্পদকে পুঁজির হাতে কেন্দ্রীভূত করার প্রবণতা এবং সর্বোচ্চ মুনাফার নিরলস অনুসন্ধান—যা অতি-দক্ষিণপন্থী নীতির ভিত্তি— প্রকাশ পাচ্ছে সম্পদের একচেটিয়া দখল এবং জনগণকে শোষণের লক্ষ্যে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের তীব্রতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে।
সাম্রাজ্যবাদ ক্রমশই লাগামছাড়া, আগ্রাসী এবং তীব্র সামরিক হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে অগ্রাহ্য করছে।যেসব দেশ সাম্রাজ্যবাদের কাছে নতিস্বীকার করছে না,তাদের উপর আরোপিত হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, তারা আক্রমণ এবং বোমাবর্ষণের শিকার হচ্ছে,তাদের রাষ্ট্রপ্রধানরা অপহৃত হচ্ছেন বা সরাসরি নিহত হচ্ছেন।
একই সঙ্গে হাত ধরাধরি করে চলছে ঔপনিবেশিক পরিস্থিতির স্থায়ীকরণ– প্যালেস্টাইনের ক্ষেত্রে গাজায় যা এক প্রকাশ্য নির্মম গণহত্যার রূপ নিয়েছে-জায়নবাদী ইসরায়েল রাষ্ট্রের দ্বারা সংগঠিত এই গণহত্যা যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থন ও অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী দেশের মদত লাভ করেছে। তদুপরি, ইসরায়েল সম্প্রতি লেবাননে অপরাধমূলকভাবে বোমাবর্ষণ করেছে এবং দেশটির দক্ষিণাংশ দখল করার অভিপ্রায় ঘোষণা করেছে।
আমরা সর্বপ্রকার সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করি এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের জন্য তাঁদের সংগ্রামকে, আবশ্যিক সকল পন্থায় , সমর্থন করি।অতি-দক্ষিণপন্থা
নেতানিয়াহুর গণহত্যাকারী সরকারের সঙ্গে যোগসাজশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। কংগ্রেস, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, যৌথ বিবৃতি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পারস্পরিক সমর্থন, বিভ্রান্তিমূলক প্রচার ও কর্মসূচিতে সহযোগিতা করছে। এছাড়াও তারা বিগ টেক সংস্থাগুলির প্রত্যক্ষ (অথবা গোপন) সমর্থনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরোধিতাকারী সরকারগুলিকে অস্থিতিশীল করে তোলে এবং ডিজিটাল পরিসরে প্রতিক্রিয়াশীল প্রচারকে তুঙ্গে নিয়ে যায়।
অতি-দক্ষিণপন্থার উত্থানের বিরুদ্ধে লড়াইরত শক্তিগুলি বহুবিধ এবং তাদের বিশ্লেষণ, কৌশল, রণনীতি, কর্মসূচি ও জোটনীতিতে পার্থক্য রয়েছে। অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিখি যে, এই পার্থক্যগুলি স্বীকার করেও আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি গড়ে তোলা অপরিহার্য। এই জোট এমন সমস্ত শক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করবে যারা শ্রমজীবী শ্রেণি, কৃষক, অভিবাসী, নারী, LGBTQ+ মানুষ, জাতিগতভাবে প্রান্তিক মানুষ, নিপীড়িত জাতীয় বা ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকারের পক্ষে দাঁড়াতে ইচ্ছুক, যারা প্রকৃতিকে ধ্বংসাত্মক পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষা করতে চায়, উৎস যাই হোক, সেই শক্তি সাম্রাজ্যবাদী ও ঔপনিবেশিক আগ্রাসনের বিরোধিতা করতে চায়, ন্যাটোর অবসানের জন্য লড়াই করতে চায় এবং প্রতিরোধী জনগণ ও প্রতিরোধী সরকারগুলির সংগ্রামকে সমর্থন করতে চায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ আদান-প্রদান, আরও দৃঢ় জোট এবং বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা এখন অত্যন্ত জরুরি।
ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি, আমরা কেন্দ্রীয় ও একতানির্মাণকারী বিষয়গুলিতে গুরুত্ব দিয়ে অভিন্নতা ও অগ্রগতির ভিত্তি নির্মাণের উদ্দেশ্যও বহন করি। কর্তৃত্ববাদ মোকাবিলা করতে স্থানীয় স্তর থেকে জাতীয় স্তর এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে—জন-অংশগ্রহণের ভিত্তিতে—গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার, সম্প্রসারণ ও গভীরতর করা প্রয়োজন। আমরা শ্রমজগতের কেন্দ্রীয়তা স্বীকার করি এবং ফ্যাসিবাদী সহিংসতা ও নব্যউদারবাদী অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিরোধ সংগঠিত করতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব রাখছি। একটি স্থায়ী দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নির্মাণের লক্ষ্যে পুঁজিবাদ এবং অতি-দক্ষিণপন্থী সরকারগুলির দ্বারা প্রণোদিত পরিবেশ-বিপর্যয়ের সরাসরি প্রতিরোধ জরুরি। এরা প্রকৃতিকে পণ্যে পরিণত করে এরা মুনাফার জন্য পরিবেশ সুরক্ষা ভেঙে দিচ্ছে। আমরা খাদ্য সার্বভৌমত্ব অর্জনের জন্য ভূমি সংস্কারের গুরুত্বের ওপর জোর দিই।
সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম বর্তমান সময়ের মত কখনও এত জরুরি ও অপরিহার্য হয়ে ওঠেনি। এই সংগ্রামকে আন্তর্জাতিকভাবে সংগঠিত করতে হবে। জনগণের সার্বভৌমত্বের পক্ষে অ্যান্টিফ্যাসিস্ট সম্মেলন নিরবচ্ছিন্নভাবে এই সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার এবং অতি-দক্ষিণপন্থার উত্থান ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তোলার এক পরিসর হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার করছে। নৃশংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আমরা আন্তর্জাতিক সংহতি, জনগণের সংগ্রাম এবং এক সমাজতান্ত্রিক, পরিবেশবান্ধব, গণতান্ত্রিক, নারীবাদী ও বর্ণবাদবিরোধী ভবিষ্যতের পতাকা উঁচু করে তুলে ধরতে চাই।
আমাদের প্রস্তাব:
- আন্তর্জাতিক কমিটি, স্থানীয় কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ে, পরবর্তী সম্মেলনের পরিকল্পনা সংগঠিত করার দায়িত্ব নেবে এবং নতুন সংগঠনগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মানদণ্ড ও উদ্যোগ প্রস্তাব করবে।
- ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নিবেদিত অসংখ্য সংগঠন ও সমিতির অস্তিত্ব বিবেচনায় রেখে, আমরা এই সংগ্রামকে বিশ্বব্যাপী ঐক্যগঠনের জন্য করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সমন্বয় পরিসর গড়ে তোলার প্রস্তাব করছি, পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জাতীয় স্তরে অ্যান্টিফ্যাসিস্ট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সম্মেলন আয়োজনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যও রাখছি, যাতে জনগণের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক অ্যান্টিফ্যাসিস্ট সম্মেলন আয়োজন করা যায়।
- এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী সকল সংগঠন, যদি তারা স্পষ্টভাবে ভিন্ন কিছু না জানায়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ঘোষণার স্বাক্ষরকারী হিসেবে বিবেচিত হবে।
- আমরা আর্জেন্টিনায় একটি লাতিন আমেরিকান সম্মেলন আয়োজনের সমর্থন জানাই, যার তারিখ ও কাঠামো আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিদল ও সংগঠনগুলি আন্তর্জাতিক কমিটির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তাব করবে।
- আমরা উত্তর আমেরিকায় একটি আঞ্চলিক সম্মেলনের সমর্থন জানাই, যেখানে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ক্যারিবিয়ান এবং মধ্য আমেরিকার সংগঠনগুলি অংশগ্রহণ করবে।
- আমরা গ্লোবাল সুমুদ ফ্রিডম ফ্লোটিলাকে সমর্থন জানাই, যা আবারও অবরোধ ভাঙার এবং গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্যালেস্টাইনের জনগণের সংগ্রাম—গাজা ও ওয়েস্টব্যাঙ্কে —মানবতার সংগ্রাম। আমরা বিডিএস-এর মতো উদ্যোগের মধ্য দিয়ে জ্ঞাপিত সক্রিয় সংহতির সমর্থন করি।
- আমরা কিউবার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত অপরাধমূলক অবরোধ ও হুমকির বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশ করছি। আমরা দ্বীপটির উদ্দেশ্যে সাম্প্রতিক ফ্লোটিলাগুলির মতো সমস্ত সংহতি উদ্যোগের সমর্থন করি।
- আমরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ এবং রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরো ও কংগ্রেস সদস্য সিলিয়া ফ্লোরেসের অপহরণ ও কারাবাসের নিন্দা জানাই এবং তাদের মুক্তির জন্য সংগ্রাম সমর্থন করি।
- আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দ্বারা ইরানের উপর সামরিক আক্রমণের নিন্দা জানাই। আমরা ইরানের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সমর্থন করি এবং একতরফা নিষেধাজ্ঞার অবসানের দাবি জানাই।
- আমরা উপনিবেশিক ও সাম্রাজ্যবাদী দখলের অধীনে থাকা সমস্ত ভূখণ্ডের স্বাধীনতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিই।
- আমরা হাইতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপের নিন্দা জানাই এবং সেখানকার জনগণের সংগ্রামের সমর্থন করি।
- আমরা পশ্চিম সাহারার স্বাধীনতার জন্য পলিসারিও ফ্রন্টের সংগ্রামের সমর্থন করি, যা জাতিসংঘ দ্বারা স্বীকৃত একটি অধিকার।
- আমরা পুয়ের্তো রিকোর জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতার সংগ্রামের সমর্থন করি।
- আমরা ২০২৬ সালে তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো-বিরোধী বৈঠকের পক্ষে সমর্থন জানাই।
- আমরা ২০২৬ সালের জুনে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য জি৭ পাল্টা-শীর্ষ সম্মেলনের পক্ষে সমর্থন জানাই।
- আমরা জলবায়ু-সংকট অস্বীকারবাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত উদ্যোগগুলিকে সমর্থন করি, যেমন বর্তমানে সংগঠিত ইকো-সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও সমাবেশগুলি।
- আমরা ২০২৬ সালের আগস্টে বেনিনে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী বিশ্ব সামাজিক ফোরামকে সমর্থন করি এবং অনুষ্ঠিত করতে সহায়তার অঙ্গীকার জানাই ।
